ইতিহাসের এক মহামানব সফল সমাজ সংস্কারক আব্দুল হালীম হুসাইনী রহঃ এর জীবন ও কর্ম।
ইতিহাসের এক মহামানব সফল সমাজ সংস্কারক আব্দুল হালীম হুসাইনী রহঃ এর জীবন ও কর্ম।
মাওলানা মুহাম্মাদ আব্দুল কাইয়ুম.
সিনিয়র মুহাদ্দিস, তারাকান্দি জামিয়া হুছাইনীয়া আসআদুল উলুম ক্বওমী ইউনিভার্সিটি।
সিনিয়র মুহাদ্দিস, তারাকান্দি জামিয়া হুছাইনীয়া আসআদুল উলুম ক্বওমী ইউনিভার্সিটি।
তারাকান্দি হুজুর খ্যাত, পাকুন্দিয়ার কৃতি সন্তান, মহান সাধক, সফল সমাজ-সংস্কারক ও মহা মনীষা কিশোরগঞ্জ তথা সারা বাংলার বিখ্যাত আধ্যাতিক রাহবার আব্দুল হালীম হুছাইনী রহঃ সংক্ষিপ্ত জীবনী-
#হুসাইনী_রহঃ_এর_শিশুকালঃ-
সোনার চামচ মুখে নিয়ে সৌভাগ্যের এক সুন্দর ভোরে পৃথিবীকে পরিবর্তনের পয়গাম দিয়ে মায়ের কোল আলোকিত করে জন্ম গ্রহন করেন একটি ছোট্র শিশু যেই শিশুটিই আমাদের প্রিয় আঃ হালিম হুসাইনী রহঃ।
আব্দুল হালীম হুছাইনী রহঃ এর জন্ম তারিখের ব্যাপারে সঠিক কোন তথ্য পাওয়া যায়নি।
গায়ের ধূলামলিন আঙ্গিনা, সবুজ শ্যামল ফসল ভরা মাঠ, নদীর তীরে কাশফুলে ভরা বন, গ্রামের মায়া ভরা ছায়া ঢাকা পরিবেশে সব শিশুদের মতই শিশু হুসাইনী রহঃ এর শৈশবের সীমানা পেরিয়ে যায়।
শৈশবের অবুঝ সময়েও হুসাইনী রহঃ এর থেকে শিশু সূলভ কোন অপরাধ প্রবণতা পরিলক্ষিত হয়নি, এবং সরল সোজা চালচলন ছিল তাঁর স্বভাব জাত বৈশিষ্ট্য।
বলা যায় আঃ হালিম হুসাইনিয়া রহঃ জন্মগত ভাবেই ছিলেন আল্লাহর অলী, তাঁর শৈশব-বাল্য জীবনে এই ব্যাপারে বহু আলামত প্রকাশ পেয়েছিল।
শৈশব ও বাল্যকালে সাধারণত মানুষ একটু চঞ্চল থাকে, কিন্তু হুসাইনী রহঃ এর বাল্যকালে চঞ্চলতা কখনোই পরিলক্ষিত হয়নি।
বরং হুসাইনী রহঃ যখন গ্রামের মক্তবে পড়তে যেতেন তখনও কারো সাথে ঝগড়া বিবাদ করতেন না।
তিনি কখনোই কারো সাথে অহেতুক ঝগড়া বিবাদ ও খেলাধুলায় লিপ্ত হতেন না।
তিনি সবার সাথেই সুন্দর ও সামাজিক আচরণ করতেন।
হুসাইনী রহঃ শৈশবকালীন আচার আচরণ ও চালচলনে সবাইকে বুঝিয়ে দিয়েছিলেন তিনি হবেন ভবিষ্যৎ প্রাণ পুরুষ, হবেন সত্যবাদি মানুষের রাহবার, যুগের আলোকবর্তিকা ও হেদায়েতের মশাল।
হুসাইনি রহঃ ছোটকালীন থাকা অবস্থায় দেখে মনে হতো তিনি দক্ষ কোন কারিগরের নিপুণ হাতে গড়া একটি স্বর্ণের অলংকার, যাতে নেই কোন খাঁদ, নেই কোন পাপ পঙ্গিলতা, বা শিশু সুলভ আচরণ।
বরং শিশু হুসাইনী তে রয়েছে রাসূল স.এর উত্তম আদর্শের এক উজ্জ্বল নমুনা।
#হুসাইনী_রহঃ_এর_শিক্ষা_জীবনঃ-
আজ থেকে শত বৎসর পূর্বে চরম অশান্তির আগুন দাউ দাউ করে জ্বলে উঠেছিল এ ভুখন্ডে, শান্তির অন্বেষায় দ্বারে দ্বারে ঘুরে বেড়াচ্ছিল সাধারণ মানুষগুলো, অধীর প্রতীক্ষায় চাতক পাখির মত তাকিয়ে ছিলো আকাশ পানে, অপেক্ষায় ছিল এমন একজন মুক্তিকামী মানবের, যিনি মানুষদেরকে মুক্ত করবেন জুলুম নির্যাতন আর মুর্খতার নিকোষ কালো অন্ধকার থেকে।
যিনি হবেন সত্য ও সঠিক পথের আলোর মশাল, কুরআন ও সুন্নাহর আলোকে সাধারণ মানুষের জন্য সঠিক পথের দিশারি।
যিনি অশান্ত এই ভুখন্ডের অবিন্যস্ত অবয়বটা পাল্টে দিয়ে, শান্তির সৌরভের ছোঁয়ায় প্রাণবন্ত ও সু-বিন্যাস্ত করে দিবেন।
ঠিক এমন সময় শান্তির সওগাত ও অশান্তির পতন ঘটিয়ে অফুরন্ত আলোর ছোঁয়ায় এইছোট ভূখন্ডকে উদ্ভাসিত করতে দ্বীনি শিক্ষা করতে শুরু করেন “আঃ হালিম হুসাইনী রহঃ।
এই মনীষি যখন আস্তে আস্তে বড় হতে লাগলেন এবং একটু একটু করে এই অবহেলিত সমাজের অবস্থা বুঝতে লাগলেন, তখন থেকে তিনি শপথ নিলেন সঠিক শিক্ষার মাধ্যমে ঢেলে সাজাবেন এই বঞ্চিত সমাজটাকে।
জ্ঞানের আলোয় আলোকিত করবেন কুফর শিরিক বিদআতে নিমজ্জ্বিত এই জাতিকে।
তাই মায়ের কাছ থেকেই শুরু করেন কুরআনী শিক্ষা, অতঃপর নিজ এলাকা থেকে প্রাথমিক শিক্ষা সমাপ্ত করেন। এরপর যখন তিনি দেখতে পেলেন সমাজ জুলুম নির্যাতন আর মুর্খতার অন্ধকারে আচ্ছন্ন , এবং বুঝতে পারলেন সমাজ সংস্কারের জন্য দরকার একজন যোগ্য সমাজ সংস্কারক ।
এবং আদর্শ শিক্ষিত জাতি গঠনের জন্য খুব বেশী প্রয়োজন একজন আদর্শবান শিক্ষক, সেই থেকে তিনি নিজেকে একজন আদর্শবান শিক্ষক ও সংস্কারক হিসেবে গড়ে তোলার জন্য সফল চেষ্টা চালাতে লাগলেন।
সেই সুবাদে তিনি ১৯১৯ ইংরেজী সনে ভর্তি হন তারাকান্দি সিনিয়র মাদ্রাসায়।
অধ্যায়ন কালে হুজুরের প্রখর মেধা ও প্রতিভা দেখে মাদ্রাসার শিক্ষক ও ছাত্ররা তার প্রতি আকৃষ্ট হন।
ঐ সময়ে বোর্ড ছিল কলিকাতা আলিয়া মাদ্রাসা, তখন হুজুর বোর্ড পরিক্ষায় তৃতীয় স্থান অধিকার করেন।
এরপর হুজুর তারাকান্দি সিনিয়র মাদ্রাসায় অধ্যায়ন শেষে উচ্চ শিক্ষার জন্য ঢাকার হাম্মাদিয়া মাদ্রাসায় ভর্তি হন, সেখানে তিনি এক বছর অধ্যায়ন শেষে উচ্চতর শিক্ষা লাভের জন্য বিশ্ব বিখ্যাত উম্মুল মাদারিস খ্যাত দারুল উলুম দেওবন্দে ভর্তি হন।
তিনি সেখান থেকে পবিত্র কুরআনের তাফসীর ও হাদিস বিষয়ে সর্বোচ্চ ডিগ্রী লাভ করেন।
আরো উচ্চতর শিক্ষার জন্য ১৯৩১ সালে তিনি লাহোর ওরিয়েন্টাল কলেজ ও পরবর্তীতে পাঞ্জাব ইউনিভার্সিটি থেকে ইসলামী শিক্ষার পাশাপাশি জেনারেল শিক্ষায় উচ্চতর ডিগ্রী লাভ করেন।
মোট কথা, এই মহান মনীষি উপমহাদেশের বিখ্যাত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গুলোতে খ্যাতিমান বুজুর্গদের সোহবতে থেকে ইলমে নববী হাসিল করেন।
বুজুর্গদের মধ্য থেকে অন্যতম হলেন আওলাদে রাসূল শাইখুল আরব ওয়াল আযম আল্লামা হুসাইন আহমদ মাদানি রহঃ।
আর এভাবেই তিনি চেষ্টা সাধনার মাধ্যমে নিজেকে গড়ে তুলেন একজন তাকওয়াবান, খোদার ভয়ে প্রকম্পিত বান্দা ও যুগশ্রেষ্ট আলেমে দ্বীন হিসেবে।
এবং নিজ মাতৃভূমিতে ফিরে আসেন শ্রেষ্ঠ সমাজ সংস্কারক ও আদর্শবান শিক্ষক হিসেবে।
যার দৃষ্টান্ত হিসেবে আজও গৌরবের সাথে দাঁড়িয়ে আছে ঐতিহ্যবাহী তারাকান্দি জামিয়া হুছাইনীয়া আসআদুল উলুম ক্বওমী ইউনিভার্সিটি ও দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে ছিটিয়ে
থাকা জানা অজানা হাজারো শিক্ষা প্রতিষ্ঠান।
#হুসাইনী_রহঃ_এর_কর্ম_জীবনঃ-
আঃ হালিম হুসাইনী রহঃ এর কর্ম জীবন ছিল অত্যন্ত সুন্দর সুখময়, সুগঠিত এবং সকলের কাছে প্রশংসনীয়।
যার প্রতিটি রন্ধে রন্ধে রয়েছে রাসূল (সাঃ) এর সুন্নতের প্রতিচ্ছবি।
কর্ম ক্ষেত্রে তিনি কখনো রাসূল (সাঃ) এর সুন্নত হতে পিছপা হন নি, বরং প্রতিটি ক্ষেত্রেই তিনি বাস্তবায়ন করেছেন রাসূল (সাঃ) এর আদর্শকে।
একদিকে তিনি ছিলেন আদর্শ রাহবার, কুরআন এবং হাদিসের আলোকে তিনি মানবজাতিকে দেখিয়েছেন মহাসত্যের সন্ধান ও জান্নাতের পথ।
পথহারা মানুষ কে তিনি দেখিয়েছেন সঠিক পথের দিশা, আলোহীন মানুষকে দিয়েছেন ঈমানী আলো।
অন্যদিকে তিনি একজন বিদগ্ধ আলেমে দ্বীন, বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্থান সহ বিভিন্ন দেশের বিখ্যাত মনীষীদের থেকে এলমে ওহীর মধু আহরণ করে, সেই এলেম কে ছড়িয়ে দিয়েছিলেন বিশ্বব্যাপী।
কুরআন এবং হাদীসের জ্ঞান বিলিয়ে ধন্য করেছেন অসংখ্য এলেম পীপাসুকে, জ্ঞানের আলোয় আলোকিত করেছেন এই শিক্ষা বঞ্চিত সমাজকে ।
কুরআন এবং হাদিসের নূরকে ছড়িয়ে দিতে গিয়ে তিনি গ্রহন করেছিলেন অনেক গুলো যুগান্তকারী পদক্ষেপ।
প্রতিটি গ্রামে গ্রামে তিনি গড়ে তুলেছিলেন অসংখ্য মক্তব ,মাদ্রাসা, যা এখনো ইতিহাসের সাক্ষী হিসেবে দাঁড়িয়ে আছে স্ব-উজ্জ্বল মহিমায় ।
আঃ হালিম হুসাইনিয়া রহঃ শুধু একজন যোগ্য আলেমই ছিলেন না, বরং তিনি ছিলেন, অন্যায়, অত্যাচার ,জুলুম নির্যাতনের বিরুদ্ধে সদা সোচ্চার।
কুফর ,শিরিক, বিদআতের বিরুদ্ধে ছিলেন বলিষ্ট কণ্ঠস্বর।
যাত্রা, জুয়া, গান, বাজনার বিরুদ্ধে ছিলেন বজ্র-হুংকার।
সময়ে একাই রুখে দিতেন লক্ষ অপরাধীর জুলুম অনাাচার।
এক কথায় মিথ্যার দাপট মিটিয়ে দিয়ে সত্যের বাণীকে সমাজের সর্বস্তরে পৌঁছে দিতে তিনি ছিলেন আপোষহীন জননেতা ।
আঃ হালিম হুসাইনী রহঃ ছিলেন এমনই এক মনীষি যিনি পারিবারিক, সামাজিক, জাতীয় সব পর্যায়েই রেখে ছিলেন দৃষ্টান্ত মূলক অবদান।
রাস্তা-ঘাট, ব্রীজ-কালভার্ট, নদীনালা, খাল-বিল, স্কুল-পাঠশালা, মসজিদ-মাদ্রাসা সর্ব ক্ষেত্রেই ছিল তার উন্নয়নের হাত।
গরীব, মিসকিন, বিধবা, অসহায়, এতিমদের জন্য তিনি ছিলেন এক দয়ালু অভিবাবক, যার হাতের পরশে সেরে উঠত অনেক জটিল কঠিন জীবন নিয়ে হতাশ হাসপাতাল ফেরৎ রোগীরাও।
#হুসাইনী_রহঃ_এর_কারামতঃ-
আল্লাহ তা আলা নবী রাসূলদের কে মনোনীত করেছিলেন তাঁর দ্বীনকে বান্দার কাছে সঠিকভাবে পৌঁছে দেওয়ার জন্য, আর নবী রাসূলগণ খোদা প্রদত্ত বিশেষ শক্তি মু‘জিযার মাধ্যমে দ্বীনের এই দাওয়াতকে অত্যান্ত শক্তিশালীভাবে উম্মতের কাছে পৌঁছে দিয়েছেন।
আদি পিতা আদম (আঃ) থেকে নিয়ে আমাদের নবী হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) পর্যন্ত সকল নবীগণই খোদা প্রদত্ত বিশেষ অলৌকিক শক্তি দিয়ে অসংখ্য মু‘জিযা দেখিয়েছেন।
ঠিক তেমনি আল্লাহ্ তা আলা মাঝে মাঝে তাঁর অনেক বান্দাদেরকেও বিশেষ ক্ষমতা দিয়ে থাকেন, যারা তাঁর নিকটবর্তী বান্দা হন, এবং সেই সকল ব্যক্তিরা খোদা প্রদত্ত ঐ শক্তি দিয়ে কারামতের মাধ্যমে আল্লাহ্ তা আলার কুদরত প্রদর্শন করে থাকেন।
আব্দুল হালীম হুসাইনী রহঃ স্বীয় লাঠির মাধ্যমে একাই যাত্রাপালা, গান - বাজনা ও সার্কাজ এর প্যান্ডেলকে ভেঙে চুরমার করে দিতেন, সেসময় সবাই মনে করতো হুসাইনী রহঃ তাকেই লাঠি দিয়ে ধাওয়া করছেন।
আব্দুল হালীম হুসাইনী রহঃ আল্লাহর উপর ভরসা করে জ্বলন্ত আগুনের কড়ায় প্রবেশ করে আবার বের হয়ে মহান খালিকের কুদরতকে মানুষের সামনে ফুঠিয়ে তুলেছিলেন।
আব্দুল হালীম হুসাইনী রহঃ এক প্লেট খাবার দিয়ে বহু মানুষকে তৃপ্ত সহকারে আহার করাতেন আল্লাহর রহমতে।
তবে হুসাইনী রহঃ এর সবচেয়ে বড় কারামত ছিল, তিনি কুরআন এবং সুন্নাহকে নিজের জীবনে বাস্তবায়ন করেছিলেন এবং তাঁর থেকে কুরআন হাদিস বিরোধী কোন কর্মকান্ড কখনোই প্রকাশ পায়নি, বরং কুরআন হাদিস বিরোধী কোন কর্মকান্ড কাহারো থেকে প্রকাশ পেলে তিনি তা বীরদর্পে প্রতিহত করতেন।
এছাড়াও হুসাইনী রহঃ এর থেকে অনাবৃষ্টিতে দোয়ার মাধ্যমে বৃষ্টি হওয়া, মূষল ধারায় বৃষ্টি বর্ষণ হঠাৎ থেমে যাওয়া, গাছ নিজ জায়গা থেকে সরে যাওয়া সহ অসংখ্য কারামতি প্রকাশ পেয়েছিল যার কিছুটা প্রসিদ্ধ আবার কিছুটা অগোচরেই রয়ে গেছে।
তবে তিনি যত জায়গায় দাঁড়িয়ে আযান ও ইকামত দিয়ে নামাজ পড়েছেন সেখানেই আজ খোদা ই রহমতে আকাশ চুম্বী মসজিদ নির্মিত হয়েছে।
যে রাস্তা দিয়ে তিনি হাঁটতে গিয়ে কখনো কোদাল দিযে রাস্তায় মাটি দিয়েছেন সেটি আজ মহাসড়কে পরিণত হয়েছে।
তিনি যে এলাকাতেই কদম ফেলেছেন সেখানেই দ্বীনি প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠেছে।
#হুসাইনী_রহঃ_এর_মৃত্যুঃ-
অবশেষে আব্দুল হালীম হুছাইনী রহঃ ১৯৮৬ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর, ৮ ই মহররম, শুক্রবার দিবাগত রাতে এই ক্ষণস্থায়ী জীবন হতে বিদায় নিয়ে চিরস্থায়ী জীবন ও মহান প্রভুর সানিধ্যে পাড়ি জমান।
ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।
আল্লাহ তায়ালা তাঁর এই প্রিয় বান্দাকে রহমতের চাদরে ঢেকে নিয়ে জান্নাতের উঁচু মাক্বাম দান করুন।
আমিন।
সূত্রঃ হুছাইনী মনজিল হতে প্রকাশিত "ওয়াযিফায়ে হুছাইনী" রহঃ।
No comments