ক্বওমীতে ভর্তি! আল্লামা আব্দুল কাইয়ুম হাফিঃ
কিছু কথা, কিছু ব্যাথা, কিছু পরামর্শ।
অনেকের প্রশ্ন যেহেতু ক্লাস চালু করা যাচ্ছে না, আবাসিক ভাবে মাদরাসায় অবস্থান ও করা যাচ্ছে না।
তাহলে করোনার ঝুঁকি নিয়ে, এত কষ্ট করে, দ্বিগুন ভাড়া দিয়ে এখন ভর্তি হওয়ার প্রয়োজন টা কি?
আমরা যদি বিষয়টা নিয়ে স্বাভাবিক ভাবে চিন্তা করি তাহলে একটা সুন্দর সমাধান পেতে পারি।
দেখবেন ভর্তি না হলে টেনশন আর অস্থিরতা কত বেশি বিরাজ করে, আর নিজেকে অসহায় অসহায় মনে হয়।
নিজেকে ঠিকানা বিহীন যাযাবার ও লাগামহীন মনে হতে থাকে।
অসংখ্য বাঘ ভল্লুক আর হিংস্র হায়েনাদের (গোনাহের উপকরণ) মাঝে নিজেকে ভীষণ দুর্বল মনে হয়।
নিজেকে হারাতে পারি জাহিলিয়াতের গহীন অন্ধকারে।
অন্যদিকে ভর্তির মাধ্যমে একজন শিক্ষার্থীর দিল ও দেমাগ প্রশান্ত হয়।
নিজেকে (শয়তান হতে) পূর্ণাঙ্গ মাহফুয ও ইবাদত, লেখাপড়ায় শক্তিশালী মানুষ মনে হয়।
নিজের ভবিষ্যতে ব্যাপারে সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়াটা সহজ হয়।
ভর্তি হলে নিজেকে নির্দিষ্ট ক্লাসের ছাত্র হিসেবে গণ্য করতঃ সেই ক্লাসের কিতাবাদি সংগ্রহ- মুতালাআ করার উদ্যমতা ফিরে আসে ৷
এছাড়া দীর্ঘদিন দ্বীনি পরিবেশ বিশেষত উস্তাদদের সংশ্রব হতে দূরে থাকার কারণে ভিন্ন মনমানসিকতা ও তৈরী হতে পারে।
অপরদিকে মাদরাসা কতৃপক্ষের জন্য ভর্তির কাজ সম্পাদন ও ক্লাসের তারতীব ইত্যাদি করতেও বেশ সময় লাগে।
এ কাজগুলো এখন-ই সম্পন্ন করে রাখলে যখনি সুযোগ হবে তখনি ক্লাস চালু করা সম্ভব হবে।
আরো নানাবিধ দৃশ্যমান/অদৃশ্যমান উপকারিতা রয়েছে সেগুলো বিবেচনা করেই একজন দ্বীনি ইলম শিক্ষার্থীকে এখনই তাঁর সুবিধামত যে কোন ক্বওমী মাদরাসায় ভর্তি হয়ে যাওয়া দরকার।
অনেকের প্রশ্ন যেহেতু ক্লাস চালু করা যাচ্ছে না, আবাসিক ভাবে মাদরাসায় অবস্থান ও করা যাচ্ছে না।
তাহলে করোনার ঝুঁকি নিয়ে, এত কষ্ট করে, দ্বিগুন ভাড়া দিয়ে এখন ভর্তি হওয়ার প্রয়োজন টা কি?
আমরা যদি বিষয়টা নিয়ে স্বাভাবিক ভাবে চিন্তা করি তাহলে একটা সুন্দর সমাধান পেতে পারি।
দেখবেন ভর্তি না হলে টেনশন আর অস্থিরতা কত বেশি বিরাজ করে, আর নিজেকে অসহায় অসহায় মনে হয়।
নিজেকে ঠিকানা বিহীন যাযাবার ও লাগামহীন মনে হতে থাকে।
অসংখ্য বাঘ ভল্লুক আর হিংস্র হায়েনাদের (গোনাহের উপকরণ) মাঝে নিজেকে ভীষণ দুর্বল মনে হয়।
নিজেকে হারাতে পারি জাহিলিয়াতের গহীন অন্ধকারে।
অন্যদিকে ভর্তির মাধ্যমে একজন শিক্ষার্থীর দিল ও দেমাগ প্রশান্ত হয়।
নিজেকে (শয়তান হতে) পূর্ণাঙ্গ মাহফুয ও ইবাদত, লেখাপড়ায় শক্তিশালী মানুষ মনে হয়।
নিজের ভবিষ্যতে ব্যাপারে সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়াটা সহজ হয়।
ভর্তি হলে নিজেকে নির্দিষ্ট ক্লাসের ছাত্র হিসেবে গণ্য করতঃ সেই ক্লাসের কিতাবাদি সংগ্রহ- মুতালাআ করার উদ্যমতা ফিরে আসে ৷
এছাড়া দীর্ঘদিন দ্বীনি পরিবেশ বিশেষত উস্তাদদের সংশ্রব হতে দূরে থাকার কারণে ভিন্ন মনমানসিকতা ও তৈরী হতে পারে।
অপরদিকে মাদরাসা কতৃপক্ষের জন্য ভর্তির কাজ সম্পাদন ও ক্লাসের তারতীব ইত্যাদি করতেও বেশ সময় লাগে।
এ কাজগুলো এখন-ই সম্পন্ন করে রাখলে যখনি সুযোগ হবে তখনি ক্লাস চালু করা সম্ভব হবে।
আরো নানাবিধ দৃশ্যমান/অদৃশ্যমান উপকারিতা রয়েছে সেগুলো বিবেচনা করেই একজন দ্বীনি ইলম শিক্ষার্থীকে এখনই তাঁর সুবিধামত যে কোন ক্বওমী মাদরাসায় ভর্তি হয়ে যাওয়া দরকার।
#তবে মাদরাসা কতৃপক্ষের কাছে বিনীত আবেদন থাকবে যে,
~আপনারা ভর্তি ইচ্ছুক ছাত্রদের জন্য যথাযথ ব্যবস্থপনা গ্রহন করবেন। ~অনেকের জন্যই দুর-দুরান্ত হতে কষ্ট করে এসে ভর্তি কার্যক্রম শেষ করে, সেদিন-ই আবার বাড়িতে ফিরা সম্ভব হবে না, তাদের জন্য স্বাস্থ্যবিধি ও পর্যাপ্ত নিরাপত্তার সাথে রাতে থাকা খাওয়া এবং বিশ্রামের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থাপনা রাখবেন।
~সম্ভব হলে (এবছরের জন্য হলেও) সব কিছুতেই সর্বোচ্চ ছাড় দেওয়ার চেষ্টা করবেন।
~প্রয়োজনে এবছরের জন্য বেফাক বোর্ডের মাধ্যমে নির্দেশ জারী করতঃ বিভাগ/জেলা ভিত্তিক মাদরাসায় ছাত্র ভর্তি কার্যক্রম সীমাবদ্ধ রাখুন।
~প্রয়োজনে এবছরের জন্য বেফাক বোর্ডের মাধ্যমে নির্দেশ জারী করতঃ বিভাগ/জেলা ভিত্তিক মাদরাসায় ছাত্র ভর্তি কার্যক্রম সীমাবদ্ধ রাখুন।
#বিঃ_দ্রঃ_ছাত্রদেরকে করোনা কালীন সময়ে বাড়িতে করণীয় বিষয়ে বড়দের পক্ষ থেকে মারহালা ওয়ারী দিক নির্দেশনা দেওয়াটা এই সময়ে খুব বেশি জরুরী।
যেহেতু ছাত্র শিক্ষক সবাই এখন সীমিত পরিসরে সোসাল মিডিয়া ব্যবহার করে থাকে, এক্ষেত্রে ছাত্রদেরকে সময় কাজে লাগাতে ২ টা সুরত এমন হতে পারেঃ-
১/ বেফাক বোর্ড তাঁদের নিজস্ব পেইজ হতে প্রতি মারহালার জন্য আলাদা আলাদা ভাবে দৈনিক/সপ্তাহে সেই মারহালা বিষয়ে বিশেষজ্ঞ ও প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত আলেম দিয়ে লাইভ করতে পারে।
২/ প্রত্যেক মাদরাসা, সেই মাদরাসার পেইজ হতে দৈনিক নিজেদের দক্ষ উস্তাদগণের মাধ্যমে তাঁদের ছাত্রদের জন্য বিশেষ লাইভ এর ব্যাবস্থা করতে পারে।
এছাড়াও বিশেষজ্ঞদের মতামত নিয়ে আরো ফলপ্রসু ও সময়োপযোগী ব্যবস্থা গ্রহণ করা যেতে পারে।
তাহলে অনেক শিক্ষার্থী ও বহু বা-ইস্ত'দাদ শিক্ষক টিকে থাকবে, নতুবা করোনা পরবর্তীতে হয়তো অনেক তালিবে এলমের সাথে আমাদের রত্নতুল্য কিছু দক্ষ শিক্ষক ও হারিয়ে যেতে পারে।
আল্লাহ তায়ালা সবাইকে হেফাজত করুন, এবং তাঁর দ্বীনের জন্য কবুল করুন।

No comments